কনটেন্টটি শেষ হাল-নাগাদ করা হয়েছে: মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল, ২০২৬ এ ০৩:২৩ PM

সচিব

কন্টেন্ট: জীবন বৃত্তান্ত

মুন্সী আলাউদ্দিন আল আজাদ, এনডিসি (২৩৮৫)

সচিব

ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার

জনাব মুন্সী আলাউদ্দিন আল আজাদ ১৯৫৭ সালের ৩০ জুন ফরিদপুর জেলার মধুখালী উপজেলার ঘোপঘাট গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।

জনাব মুন্সী আলাউদ্দিন আল আজাদ ১৯৭৩ সালে রাজশাহী সিরোইল গভঃ বয়েজ হাই স্কুল থেকে মানবিক বিভাগে এস, এস, সি পরীক্ষার বোর্ড স্ট্যান্ড করে উত্তীর্ণ হোন। ১৯৭৫ সালে ঢাকা কলেজ থেকে মানবিক বিভাগে এইচ, এস, সি পাস করেন। পরবর্তীতে ১৯৭৬ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের স্নাতক (সম্মান) কোর্সে ভর্তি হন এবং ১৯৭৭ মাইগ্রেশন নিয়ে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের একই বিভাগে ভর্তি হয়ে ১৯৭৯ সালে স্নাতক (সম্মান) এবং ১৯৮০ সালে মাস্টার্স সম্পন্ন করেন। জনাব আজাদ যুক্তরাজ্য সরকারের প্রদত্ত একজন “শেভেনিং” স্কলার। উক্ত ফেলোশিপের আওতায় তিনি UK-এর Birmingham University থেকে পোস্ট গ্রাজুয়েট ডিপ্লোমা সম্পন্ন করেন। এছাড়া, তিনি Civil Service College, Singapore, University Utara Malaysia এবং ইন্দোনেশিয়া থেকে উচ্চতর ডিগ্রি অর্জন করেন।

১৯৮২ বিসিএস (বিশেষ) পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে উর্ত্তীণ হয়ে ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে ১৯ জুন ১৯৮৩ তারিখে তৎকালীন ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব পাবলিক অ্যাডমিনিস্টেশন (নিপা) প্রশিক্ষণে যোগদানের মাধ্যমে সরকারি চাকুরিতে প্রবেশ করেন। চাকুরি জীবনে তিনি মাঠ পর্যায়ে সহকারী কমিশনার, উপজেলা ম্যাজিস্ট্রেট, নেজারত ডেপুটি কালেক্টর (এনডিসি), রেভিনিউ ডেপুটি কালেক্টর (আরডিসি), ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ট্রেজারি ও জেএম শাখা), উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক হিসাবে সততা, নিষ্ঠা ও কর্তৃপক্ষের সন্তুষ্টির সাথে দায়িত্ব পালন করেন। এছাড়া ০৩ টি সেনানিবাসে (রাজশাহী, বগুড়া ও কাদিরবাদ) ক্যান্টনমেন্ট এক্সজিকিউটিভ অফিসার (সিইও) হিসেবে কাজ করেন এবং রাজশাহী ও কাদিরাবাদে প্রথম সিইও হিসেবে সেনানিবাস স্থাপন করেন এবং সেনানিবাসের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসহ অন্যান্য সুযোগ সুবিধা বৃদ্ধি ও ক্যান্টনমেন্ট সম্পসারণে অনবদ্য স্বাক্ষর রেখেছেন। সচিবালয় পর্যায়ে তৎকালীন ভূমি প্রশাসন বোর্ডে (১৯৭৮-৮৮ সাল) শাখা প্রধান (আপিল ও রীট) হিসেবে কাজ করার সময় ভূমি প্রশাসন ম্যানুয়াল সংকলন ও মুদ্রনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। এছাড়া তিনি যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ে সিনিয়র সহকারী সচিব হিসেবে কর্মরত থাকার সময়ে কমনওয়েলথ ইয়ুথ প্রোগ্রামের আওতায় সিঙ্গাপুরের নানিয়াং বিশ্ববিদ্যালয়ের এশিয়া প্যাসিফিক কমনওয়েলথ সম্মেলনে বাংলাদেশের প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব প্রদান করেন। তিনি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব, উপসচিব (পুলিশ), উপসচিব (রাজনৈতিক) ও উপসচিব (ইমিগ্রেশন) হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ঐ সময়ে অপারেশন ক্লিনহার্ট ও র‌্যাব প্রতিষ্ঠা কার্যক্রমের সাথে নিরলসভাবে কাজ করেছেন। অত:পর তিনি আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রীর একান্ত সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

পরবর্তীতে যুগ্মসচিব হিসেবে পদোন্নতি লাভ করে কৃষি মন্ত্রণালয়ে যুগ্মসচিব (গবেষণা) পদে কাজ করেন। এ সময় তিনি ন্যাশনাল এগ্রিকালচার রিসার্স সিস্টেমের (বারি, ব্রি, তুলা উন্নয়ন বোর্ড, পাট গবেষণা ইনস্টিটিউট ইত্যাদি) উন্নয়নে প্রয়াস রাখেন। তার হাতেই বাংলাদেশে প্রথম ‘কৃষি গবেষণা ফাউন্ডেশন’ (KGF) প্রতিষ্ঠিত হয় এবং একটি তহবিল নিয়ে তা যাত্রা শুরু করে। এরপরে ২০০৮ সালে তিনি প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীন সামরিক ভূমি ও সেনানিবাস অধিদপ্তরে পরিচালক (বর্তমানে মহাপরিচালক) পদে যোগদান করেন। তিনি এ সময় সেনানিবাস প্রশাসন ও ভূমি ব্যবস্থাপনার বিভিন্ন সংস্কারের উদ্যোগ গ্রহণ করে প্রতিষ্ঠানটির গতিশীলতার সৃষ্টি করেন। তিনি ২০১৬ সালে যুগ্মসচিব হিসেবে চাকুরি থেকে অবসর গ্রহণ করেন।

২০২৪ সালে ৫ আগস্টের পরে ভূতাপেক্ষিক ২০০৯ সাল থেকে অতিরিক্ত সচিব এবং ২০১৩ সাল থেকে সরকারের সচিব পদে পদোন্নতি প্রদান করা হয়। ২০২৪ সালের ২৪ ডিসেম্বর তারিখে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে ২০০৯ সালের ২৫ ও ২৬ ফেব্রুয়ারি সংঘটিত বিডিআর বিদ্রোহ ও সেনা কর্মকর্তা হত্যা সংক্রান্ত বিষয়ে গঠিত জাতীয় স্বাধীন তদন্ত কমিশনে সদস্য হিসেবে (বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি পদমর্যাদায়) কাজ করেছেন।

সর্বশেষ ০১ মার্চ ২০২৬ তারিখে জনাব মুন্সী আলাউদ্দিন আল আজাদকে ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের চুক্তিভিত্তিক সচিব হিসেবে পদায়ন করা হয়। ০২ মার্চ তিনি ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ে সচিব হিসেবে যোগদান করেন।

জনাব মুন্সী আলাউদ্দিন আল আজাদ-এর সহধর্মিণী বেগম রাজিয়া মোরশেদা একজন গৃহিণী। জনাব আজাদ ও বেগম রাজিয়া মোরশেদা এক পুত্র ও এক কন্যা সন্তানের জনক-জননী।

এক্সেসিবিলিটি

স্ক্রিন রিডার ডাউনলোড করুন